প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সরকার সর্বাত্মকভাবে দিন-রাত কাজ করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, গত ১৬ বছর দেশে তেমন উন্নয়ন হয়নি। তবে দেশের উন্নয়নের জন্য সরকারের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। উন্নয়নের সুফল পেতে দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।সোমবার দিনাজপুর সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় নানাবাড়ির স্মৃতিচারণ করে এই অঞ্চলের উন্নয়নে নিজের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী জানান, শিগগিরই দেশের শিল্প কারখানা মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ওই বৈঠকে সারা দেশে শিল্প কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে কীভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হবে। দিনাজপুরে শিল্প কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।তিনি বলেন, সরকারের মেয়াদ এখনো এক মাস পূর্ণ হয়নি। এর মধ্যেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে। কৃষিঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, ধর্মীয় গুরুদের সম্মানি ভাতা প্রদান এবং খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী মাসে কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।সরকারের ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে দিনাজপুরসহ সারা দেশের পানির সমস্যার সমাধান হবে। কৃষি জমিতে সেচের জন্য পানির সংকট কমবে এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ওপরে উঠলে আর্সেনিক সমস্যাও কমে আসবে। দিনাজপুর জেলা বিএনপি সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন দুলাল-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুল হালিম, দিনাজপুর চেম্বার অ্যান্ড কমার্সের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, জেলা জমিয়তে ইসলামীর সভাপতি মতিউর রহমান কাশেমী এবং জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম।
রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন-এর প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।সোমবার জাতীয় ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। জাতীয় ঈদগাহটি বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট-সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত।তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত ঈদের প্রধান জামাতে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর।প্রশাসক জানান, প্রায় ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার এলাকাজুড়ে ঈদগাহ ময়দানে প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। সেখানে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। নারীদের জন্য রাখা হয়েছে আলাদা প্রবেশপথ ও পৃথক নামাজের ব্যবস্থা।মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায়ের জন্য পর্যাপ্ত ফ্যান, লাইট এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বৈরী আবহাওয়ার কথা বিবেচনায় রেখে বৃষ্টি নিরোধক সামিয়ানা ও দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।আবহাওয়া প্রতিকূল হলে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ সকাল ৯টায়।ঈদগাহে মুসল্লিদের জন্য অজু ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। প্যান্ডেলের ভেতরে প্রায় ১৪০ জন মুসল্লির একসঙ্গে অজু করার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া পর্যাপ্ত খাবার পানি, প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা এবং ভ্রাম্যমাণ টয়লেটের সুবিধাও নিশ্চিত করা হয়েছে।নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ময়দানে প্রবেশের জন্য ভিআইপি ও সাধারণ মুসল্লিদের জন্য চারটি ফটক এবং বের হওয়ার জন্য সাতটি ফটক রাখা হয়েছে। পুরো এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি ও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা সক্রিয় থাকবে।প্রশাসক জানান, প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও প্রধান জামাতে অংশ নেবেন।তিনি বলেন, মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে ও পবিত্রতার সঙ্গে নামাজ আদায়ের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে কোনো ধরনের ধারালো সরঞ্জাম বা দাহ্য পদার্থ সঙ্গে না আনার জন্য মুসল্লিদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। এ সময় নগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে জাতীয় ঈদগাহে আয়োজিত প্রধান জামাতে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান প্রশাসক।
দীর্ঘ ১৭ বছর দেশে কার্যত নির্বাচিত সরকার ছিল না উল্লেখ করে পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, এই সময়ের জমে থাকা সমস্যাগুলো এখন পরিষ্কার করতে হচ্ছে বর্তমান সরকারকে।শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারি বাজার এলাকায় খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, “গত ১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে হচ্ছে আমাদের। দেশের খালগুলোতে যেভাবে বর্জ্য ও আবর্জনা জমে আছে, সেগুলো পরিষ্কার করা এবং অবৈধ দখলমুক্ত করা এখন জরুরি।”তিনি জানান, সরকার সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে লক্ষ্মীপুরের তিনটি খাল পরিদর্শন করা হচ্ছে।শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, খাল খননের আগে সেগুলোকে অবৈধ দখল ও বর্জ্যমুক্ত করতে হবে। এতে স্থানীয় সচেতন মহলের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি দেশবাসীর প্রতি এ কার্যক্রমে সহযোগিতার আহ্বান জানান।মন্ত্রী আরও বলেন, আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরে গিয়ে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর এলাকায় প্রায় সাড়ে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ সাহাপাড়া খাল খনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং জলাবদ্ধতাসহ নানা সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে।
পবিত্র মাহে রমজান-২০২৬ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে হুজরাপুর করনেশন রোড ব্যবসায়ী মালিক সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (১৬ মার্চ) বিকাল ৫টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের হুজরাপুর উদয়ন হল সংলগ্ন আলাউদ্দিন চাইনিজ এন্ড রেস্টুরেন্টে এই ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাদার্স ফার্নিচারের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির সভাপতি মোঃ মতিউর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন মেসার্স রায়হান স্টিলের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল গফুর, নিউ সৌদিয়া স্টিলের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আকবর আলী, রফিক স্টিলের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাইনুল ইসলাম, মেসার্স আহাদ স্টিলের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির কোষাধ্যক্ষ মোঃ মোমিনুল ইসলাম, কারিগর মেটালের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির দপ্তর সম্পাদক ইয়াদুল ইসলাম রনি, তাজ স্টিলের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির প্রচার সম্পাদক মোঃ তাইজুল ইসলাম, ফরহাদ ফার্নিচারের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির নির্বাহী সদস্য মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ এবং নকশা কর্নার ফার্নিচারের স্বত্বাধিকারী মোঃ বেলাল হোসেনসহ সমিতির অন্যান্য সদস্যরা। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন জামিয়া ইসলামি মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোঃ রাশেদুল ইসলাম। এ সময় সমিতির কোষাধ্যক্ষ মোঃ মোমিনুল ইসলাম সমিতির আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপন করেন এবং সমিতির সকল সদস্যের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়।ইফতার মাহফিলে সমিতির সদস্যরা পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করার পাশাপাশি ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ঐক্য ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ২৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। ইনিংসের প্রথম তিন ওভারে মাত্র ১৭ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। পরে ৮২ রানে হারায় পাঁচ উইকেট।দারুণ বোলিং করেন বাংলাদেশের পেসাররা। পরপর দুই ওভারে উইকেট তুলে নেন তাসকিন আহমেদ। তার শিকার হয়ে ফেরেন ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ও সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান।এর আগে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বল হাতে এসে পাকিস্তানের আরেক ওপেনার মাজ সাদাকাতকে ফিরিয়ে দেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।পরে আব্দুল সামাদ ও গাজী গৌরি চতুর্থ উইকেটে ৬৭ বলে ৫০ রানের জুটি গড়েন। তখন পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ৬৭ রান। তবে দ্রুতই সেই জুটি ভেঙে দেন নাহিদ রানা ও মোস্তাফিজুর রহমান।এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠানো হয় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকার শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে দলীয় শতরান পার করে স্বাগতিকরা। পরে দলীয় ১০৫ রানে সাইফ হাসান ৩৬ রান করে আউট হন শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে।অন্য প্রান্তে দারুণ ব্যাটিং চালিয়ে যান তানজিদ হাসান তামিম। তাকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত, যিনি ২৭ রান করে আউট হন হারিস রউফর বলে।এরপর লিটন কুমার দাসকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে থাকেন তানজিদ। ইনিংসের ৩৩তম ওভারের শেষ বলে ছক্কা মেরে ৯৮ বলে নিজের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৭টি ছক্কা ও ৬টি চার। শেষ পর্যন্ত ১০৭ বলে ১০৭ রান করে আউট হন তানজিদ। পরে লিটন দাস ৫১ বলে ৪১ রান করেন। ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন তাওহীদ হৃদয়। তার ৪৪ বলে ৪৮ রানের ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৯০ রান তোলে বাংলাদেশ।
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাট অভিনয় দক্ষতা দিয়ে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। যদিও ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তার অভিনয় নিয়ে কম সমালোচনা শুনতে হয়নি।১৫ মার্চ ছিল এই অভিনেত্রীর ৩৩তম জন্মদিন। বয়সের এই পর্যায়েই তার সম্পদের পরিমাণ আকাশছোঁয়া, যা অনেক সিনিয়র অভিনেত্রীকেও টেক্কা দিচ্ছে।ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আলিয়া ভাটের বর্তমান মোট সম্পদের পরিমাণ ৫৫০ কোটি টাকারও বেশি। আয়ের দিক থেকে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, কারিনা কাপুর ও জুহি চাওলার মতো প্রথম সারির তারকাদেরও।বর্তমানে প্রতিটি সিনেমার জন্য তিনি ১৫ থেকে ১৮ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নেন। পাশাপাশি ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট বা বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ের জন্য তার পারিশ্রমিক প্রায় ২ কোটি টাকা। আন্তর্জাতিক একাধিক ব্র্যান্ডের শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও কাজ করছেন তিনি।মুম্বাইয়ের পালি হিলসে স্বামী রণবীর কাপুর–এর সঙ্গে যৌথভাবে আলিয়ার রয়েছে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার বাড়ি ‘বাস্তু’। এছাড়া পুণেতে প্রায় ১৩ কোটি টাকার একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট এবং লন্ডনেও তার স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। এই তারকা দম্পতির গাড়ির সংগ্রহেও রয়েছে বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের একাধিক গাড়ি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ল্যান্ড রোভার, অডি আর৮ এবং মার্সিডিজ বেঞ্জ।
বলিউড তারকা মালাইকা অরোরা আবারও ব্যক্তিগত জীবনের কারণে আলোচনায়। ইতালির রাজধানী রোমে ছুটি কাটাতে গিয়ে কথিত প্রেমিক হর্ষ মেহতার সঙ্গে তার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেই ছবিকে ঘিরেই নতুন করে শুরু হয়েছে তাদের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা।গত বছর মুম্বাইয়ে গায়ক এনরিকে ইগলেসিয়াসের কনসার্টে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই মালাইকা ও হর্ষকে নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। এবার ইতালির ভ্রমণ সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিল। ভাইরাল হওয়া ছবিতে দুজনকে দেখা যায় রোমের বিখ্যাত ট্রেভি ফাউন্টেনের সামনে দাঁড়িয়ে।ছবিতে মালাইকার পরনে ছিল ওভারসাইজড কালো ট্রেঞ্চ কোট। নো মেকআপ লুক ও স্লিক হেয়ারস্টাইলে তিনি ছিলেন স্বাভাবিক অথচ স্টাইলিশ। অন্যদিকে ধূসর জ্যাকেটে হর্ষ মেহতাকেও দেখা যায় স্বচ্ছন্দ ভঙ্গিতে। শোনা যাচ্ছে, ৩৩ বছর বয়সী উদ্যোক্তা হর্ষ মেহতার সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন মালাইকা। যদিও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউই কিছু জানাননি, তবু একসঙ্গে উপস্থিতি ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল বাড়িয়েছে।‘ছাইয়া ছাইয়া’, ‘আনারকলি ডিস্কো চলি’, ‘মুন্নি বদনাম’–এর মতো জনপ্রিয় গানে পারফর্ম করে মালাইকা বলিউডে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে বড় পর্দায় নাচের সংখ্যায় তাকে কম দেখা গেলেও শহরের নানা আয়োজনে উপস্থিতি ও ব্যক্তিগত জীবনের ঝলক তাকে সব সময়ই খবরের শিরোনামে রাখে।অর্জুনের সঙ্গে বিচ্ছেদ তবু মালাইকা বললেন...রোম ভ্রমণের এই ছবি নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—একি কেবল বন্ধুত্ব, নাকি সম্পর্ক আরও গাঢ় হয়েছে? আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত উত্তর অজানাই থাকছে। তবে আপাতত ইতালির মনোরম পটভূমিতে মালাইকা–হর্ষের এক ফ্রেমই সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের প্রশংসায় ভাসলেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশা। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে জাইমা রহমানকে নিয়ে অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী।জাইমা রহমানকে মাটির মানুষ আখ্যা দিয়ে তিশা লেখেন, ‘বিদেশে বেড়ে উঠলেও তিনি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে অত্যন্ত সৌন্দর্য, মর্যাদা ও গর্বের সঙ্গে ধারণ করেন।’তিনি আরো বলেন, ‘কেউ যেখানে বেড়ে উঠুক না কেন, নিজের শিকড়কে এভাবে দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে দেখা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।’উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) প্রথম রোজায় রাজধানীর ভাসানটেক এলাকায় নারী ও এতিম শিশুদের সঙ্গে এক ইফতার মাহফিলে অংশ নেন জাইমা রহমান।
একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা শহীদদের স্মরণ করলেন ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান।নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে একটি বিশেষ পোস্টের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নায়ক। শাকিব খানের নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘এসকে ফিল্মস’ -এর পেজ থেকেও একই ছবি ও বার্তা দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।শাকিব খানের শেয়ার করা পোস্টটির কার্ডে ভাষা দিবসের অর্থবহ গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হয়েছে।ছবিতে দেখা যাচ্ছে, চলচ্চিত্রের তিনটি ফিল্ম রোল লম্বালম্বিভাবে দাঁড় করিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদল তৈরি করা হয়েছে এবং পাশে একটি ফিল্ম রিল রাখা হয়েছে। নিজের পেশা অর্থাৎ চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ ফিল্ম রোলের সাথে জাতীয় শোক, অহংকার ও গৌরবের প্রতীক শহীদ মিনারকে এক সুতোয় গেঁথেছেন এই শীর্ষ নায়ক।এই ছবিটির ভেতরে এবং পোস্টের ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘মাতৃভাষার জন্য জীবন দেওয়া সকল বীর শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।’
একুশে পদকপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি)। ২০২১ সালের আজকের এই দিনে তিনি প্রয়াত হন। মৃত্যুদিনে তাকে নানাভাবে স্মরণ করছে বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীরা।১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীতে নানাবাড়ি দৌলতপুরে জন্মগ্রহণ করেন এটিএম শামসুজ্জামান। চলচ্চিত্রে তার পথচলা শুরু হয় ১৯৬১ সালে। উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন তিনি। ১৯৬৫ সাল থেকে অভিনয়ে নিয়মিত হন তিনি। ১৯৭৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমনি’ তাঁকে খল চরিত্রে এনে দেয় অসামান্য খ্যাতি।তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি লিখেছেন চিত্রনাট্যও। নারায়ণ ঘোষ মিতার ‘জলছবি’ ছবির কাহিনি ও চিত্রনাট্য লেখার মাধ্যমে কাহিনিকার হিসেবে আবির্ভাব ঘটে তার। এরপর শতাধিক ছবির কাহিনি ও চিত্রনাট্য লিখেছেন তিনি।এটিএম শামসুজ্জামান প্রথমবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন ১৯৮৭ সালে। কাজী হায়াতের ‘দায়ী কে’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার লাভ করেন তিনি। ২০১২ সালে রেদওয়ান রনি পরিচালিত ‘চোরাবালি’ ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের জন্যে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান এ নন্দিত অভিনেতা। ৪২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন এই অভিনেতা।শিল্পকলায় অসামান্য অবদানের জন্য ২০১৫ সালে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। ২০০৯ সালে ‘এবাদত’ নামের প্রথম ছবি পরিচালনা করেন তিনি।এটিএম শামসুজ্জামানের উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে- ওরা এগারোজন, সূর্য দীঘল বাড়ি, লাঠিয়াল, অনন্ত প্রেম, যাদুর বাশি, রামের সুমতি, অশিক্ষিত, গোলাপি এখন ট্রেনে, ছুটির ঘন্টা, পুরস্কার, চাপা ডাঙ্গার বউ, দায়ী কে, ম্যাডাম ফুলি, দোলনা, ভন্ড, চোরাবালি, মোল্লা বাড়ির বউ, শ্বশুর বাড়ি জিন্দাবাদ, খায়রুন সুন্দরী, নাচনেওয়ালি, বাংলার বউ, হাজার বছর ধরে, গেরিলা, ডাক্তার বাড়ি, দাদীমা ইত্যাদি।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বিশেষ নাটক ‘চিঠিওয়ালা’ নির্মাণ করা হয়েছে। নাটকের চিত্রনাট্য তৈরি হয়েছে শহরের একটি পরিবারকে ঘিরে। স্ত্রী শৈলী ও ছেলে অনিন্দ্যকে নিয়ে শহরে থাকেন অনিক। নাগরিক আধুনিকতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে নানা চেষ্টা তার। ছেলেকেও পড়ান ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে। একদিন হঠাৎ তাদের বাড়ি বেড়াতে আসেন গ্রামের হাশেম চাচা। একটি চিঠি নিয়ে এসেছেন তিনি। নানা ব্যস্ততায় সেই চিঠি আর পড়া হয় না অনিকের। কিন্তু হাশেম চাচা বাড়িতে আসার পর ঘটতে থাকে নানা ঘটনা।এরপর একদিন হাশেম চাচার আনা চিঠিটা পড়েন অনিক। চিঠিটি অনিকের প্রয়াত বাবার বন্ধু একজন ভাষাসৈনিকের লেখা। আবেগমাখা সেই চিঠি পড়ে অনিক বুঝতে পারেন, যে স্বপ্ন নিয়ে ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে দেশের মানুষ, যে স্বপ্ন নিয়ে প্রাণের বিনিময়ে তারা স্বাধীন করেছে দেশ, সেই স্বপ্ন আজ ভুলতে বসেছে অনেকে। চিঠিটি বদলে দেয় পুরো পরিবারের বোধ।নাটকে হাশেম চাচার চরিত্রে অভিনয় করেছেন মামুনুর রশীদ; অনিক চরিত্রে আহসান হাবিব নাসিম এবং শৈলীর চরিত্রে কাজ করেছেন সুষমা সরকার।‘চিঠিওয়ালা’ নাটকটি রচনা করেছেন শফিকুর রহমান শান্তনু। চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন রশীদ হারুন।নির্মাতা রশিদ হারুন জানান, “গল্পটা একটু ভিন্ন ধরনের। বিদেশি সংস্কৃতির জোয়ারে গা ভাসিয়ে আধুনিক হওয়ার চেষ্টা আমাদের সকলের মধ্যে আছে, কিন্তু এতে নিজের দেশ ও সংস্কৃতিকে ভুলতে বসেছে। দর্শককে সেই দিকটা দেখিয়ে দিবে এই নাটকটি, আশা করছি নাটকটি সবার পছন্দ হবে।” আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি চ্যানেল আইয়ে প্রচার করা হবে নাটকটি।
চলতি মার্চ মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে ২২০ কোটি ৪৪ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা।সোমবার (১৬ মার্চ) প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংক–এর হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের প্রথম দুই সপ্তাহে দেশে আসা রেমিট্যান্সের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৭ কোটি ২৪ লাখ ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২৭ কোটি ২৮ লাখ ডলার।অন্যদিকে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে দেশে এসেছে ১৫৫ কোটি ৪৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। একই সময়ে বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে ৪৫ লাখ ডলার। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবাসীরা দেশে ৩০২ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠান। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩৬ হাজার কোটিরও বেশি টাকা।
ওমরাহ পালন শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্যসহ ৫ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে সৌদি আরবের আবহা শহরে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- সৌদি প্রবাসী মিজানুর রহমান মিজান (৪০), তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার সুমি (৩০), স্কুল পড়ুয়া মেয়ে মেহের আফরোজ (১৩) ও দেড় বছর বয়সী মেয়ে সুবহা আক্তার। দুর্ঘটনা একই গাড়ির ড্রাইভার মো. জিলানী বাবর (৩০) মারা যান।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নিহত মিজানের বড় ভাই বাহারুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।একই ঘটনায় মিজানের মেঝো মেয়ে ফাইজা আক্তার (১১) গুরুত্ব আহত হয়ে জেদ্দা শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। নিহত মিজান লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের নলচরা গ্রামের ওশিম উদ্দিন বেপারী বাড়ির শহিদ উল্যার ছেলে ও নিহত মেহের আফরোজ স্থানীয় টিউরি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। নিহত প্রবাসী গাড়ির ড্রাইভার একই ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের পাটওয়ারী বাড়ির আবুল হোসেন পাটওয়ারী খোকার ছেলে।বাহারুল আলম জানান, মিজান সৌদি প্রবাসী। গত ৩ ফেব্রুয়ারি তার স্ত্রী ও ৩ মেয়েকে নিয়ে ওমরাহ হজ্বে যান। ৫দিন আগে ওমরাহর উদ্দেশে তারা সৌদির বাসা থেকে বের হন। ওমরাহ শেষে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেদ্দা থেকে বাসায় ফেরার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান তারা। বাংলাদেশ সময় রাত ৩টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।নিহত মিজানুর রহমানের মামাতো ভাই রিফাতুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, পাশের গ্রামের সৌদি প্রবাসী পারভেজ ভূঁইয়ার মাধ্যমে তারা মিজানসহ ৫ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন। এছাড়া মিজানের মেঝো মেয়ে ফাইজা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাশিদ বিন এনাম বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবে ৫ জন মারা গেছে শুনেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। শোকাহত পরিবারের প্রতি আমরা সমবেদনা জানাচ্ছি। মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনতে আমরা সব ধরণের সহযোগিতা করব।
রোজায় দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীর পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিতে থাকে। কারণ সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়, ফলে শরীরের তরল ক্ষতি হয় ঘাম, শ্বাস-প্রশ্বাস ও পেশীর কার্যক্রমে। এই অবস্থায় পানিশূন্যতা এড়াতে শুধু ইফতার বা সেহরিতে পানি খাওয়া যথেষ্ট নয়, সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি।ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুনসেহরি ও ইফতারের সময় মোটামুটি ৮-১০ গ্লাস পানি বা তরল খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। দিনে একবারে খুব বেশি পানি খাওয়ার চেয়ে এতে পানি ধীরে ধীরে পান করলে শরীর তার শোষণ ভালোভাবে করতে পারে। ফল ও সবজি যেমন তরমুজ, শসা, কমলা, টমেটো ইত্যাদি পানি-সমৃদ্ধ। এগুলো সেহরি ও ইফতারে থাকলে শরীর দীর্ঘসময় হাইড্রেটেড থাকে।ক্যাফেইন ও চিনি-সমৃদ্ধ পানীয় সীমিত করুনচা, কফি ও কোলার মতো পানীয় শরীর থেকে পানি বের করে দেয় (ডাইউরেটিক প্রভাব), ফলে শরীর দ্রুত পানি হ্রাস পায়। জুস বা চিনিযুক্ত মিষ্টি পানীয়ও বেশি শর্করা থাকার কারণে ডিহাইড্রেশন বাড়াতে পারে।লবণ ও মসলাযুক্ত খাবার কম খানঅতিরিক্ত লবণ শরীরের পানির চাহিদা বাড়ায়। তাই সেহরি ও ইফতারে বেশি লবণ বা তীব্র মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। সেই সঙ্গে লবণের বদলে লেবু, জিরা, তুলসী ইত্যাদি ব্যবহার করে স্বাদ বাড়িয়ে নিতে পারেন।হালকা ও নিয়মিত পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুনরোজা যখন ভাঙবে (ইফতার), তখন একবারে অনেক পানি না গিলেই বরং ধীরে ধীরে এবং নিয়মিত পানি পান করুন। এইভাবে শরীরকে পর্যায়ক্রমে হাইড্রেটেড রাখা সহজ হয়।বাইরের তাপ বা গরমে দীর্ঘ সময় থাকলে সতর্ক থাকুনযদি রোজা রাখার সময়ে সূর্যের তাপে বেশি সময় কাটে বা শারীরিক কাজ বেশি হয়, তাহলে ঘাম বের হয়ে শরীর থেকে আরও পানি ক্ষয় হতে পারে। চেষ্টা করুন সূর্যের তাপ থেকে দূরে থাকুন এবং হালকা কাজ বা বিশ্রাম নিন।ইফতার ও সেহরিতে স্যুপ বা দই রাখুনহালকা তরকারি স্যুপ বা দই পানি ও ইলেকট্রোলাইট সরবরাহে সাহায্য করে এবং হজমে সহায়ক। বিশেষ করে দইতে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান পেটের ত্বরণ ভালো রাখে।রোজা রাখার সময় শরীরের সিগন্যাল যেমন খুব বেশি পিপাসা, মাথাব্যথা, অতি ক্লান্তি বা কম প্রস্রাবের রং এসব লক্ষণ পানিশূন্যতার ইঙ্গিত দিতে পারে। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে রোজা ভেঙে শরীরকে রিফ্রেশ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
রমজান শুধু উপবাসের মাস নয়—এটি শরীর ও মনকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার এক অনন্য সুযোগ। কিন্তু দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতারের টেবিলে বসে অনেকেই অজান্তেই অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন। ফল হিসেবে রমজান শেষে দেখা দেয় ওজন বৃদ্ধি, বদহজম, গ্যাস্ট্রিক, বুকজ্বালা কিংবা সারাক্ষণ ক্লান্তিভাব।সারাদিন উপবাসের ফলে শরীরের শক্তির মজুত কমে আসে। এ সময় ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য বদলে যায়, ফলে মস্তিষ্ক দ্রুত শক্তি পাওয়ার সংকেত পাঠায়। তখন তেলেভাজা, মিষ্টি বা ভারী খাবারের প্রতি আকর্ষণ স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়।এছাড়া পাকস্থলী ভরে গেছে—এই তথ্য মস্তিষ্কে পৌঁছাতে প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগে। এর আগেই অনেক খাবার খাওয়া হয়ে যায়। পারিবারিক আড্ডা, ঐতিহ্যবাহী ইফতার আর আবেগ মিলে এই প্রবণতা আরও বাড়িয়ে তোলে।ধীরে ইফতারই সুস্থতার প্রথম ধাপবিশেষজ্ঞদের মতে, ইফতার শুরু করার পদ্ধতিই পুরো রাতের হজম ও ক্যালরি গ্রহণ নির্ধারণ করে।দুই থেকে তিনটি খেজুর ও এক গ্লাস পানি দিয়ে ইফতার শুরু করুন। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে স্বাভাবিক হয়। এরপর ১০–১৫ মিনিট বিরতি দিয়ে হালকা কিছু খান—যেমন স্যুপ, ফল বা সালাদ।এই বিরতিতে পাকস্থলী প্রস্তুত হয়, হজমের চাপ কমে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।সুষম খাবার মানেই কম খাবার নয়, সঠিক খাবাররমজানে খাবার কমানোর চেয়ে ঠিকভাবে সাজানো প্লেট বেশি গুরুত্বপূর্ণ।খাবারের অর্ধেক অংশ রাখুন শাকসবজি ও সালাদে। এক-চতুর্থাংশে রাখুন প্রোটিন—মাছ, ডিম, ডাল, ছোলা বা দই। বাকি অংশে থাকুক গোটা শস্য—রুটি, ওটস বা অল্প পরিমাণ ভাত।এই সমন্বয় দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, রক্তে শর্করার ওঠানামা কমায় এবং অপ্রয়োজনীয় ক্যালরি জমতে দেয় না।মনোযোগী খাওয়া: নীরব অভ্যাস, বড় উপকারঅনেক সময় ক্ষুধার কারণে নয়, বরং অভ্যাসের কারণে আমরা বেশি খাই। টিভি দেখা, মোবাইল স্ক্রল করা বা গল্প করতে করতে খেলে মস্তিষ্ক বুঝতেই পারে না কতটা খাওয়া হয়েছে।খাওয়ার সময় মনোযোগ দিন খাবারের দিকে। ধীরে চিবিয়ে খান, স্বাদের অনুভূতি নিন। পেট অর্ধেক ভরলেই থামুন। এতে হজম সহজ হয় এবং শরীর প্রয়োজনের বেশি খাবার জমাতে পারে না।ভাজা ও মিষ্টি—পুরোপুরি নয়, সীমিত করুনরমজানের ইফতার ভাজা ও মিষ্টি ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। এগুলো পুরোপুরি বাদ দেওয়ার দরকার নেই। তবে এগুলোকে ইফতারের মূল খাবার না বানিয়ে পরিপূরক হিসেবে রাখুন।ভাজা খাবার প্রতিদিন না খেয়ে সপ্তাহে এক–দুদিন সীমিত রাখুন। সিরাপজাত মিষ্টির বদলে ফল, দই বা অল্প মধু ভালো বিকল্প হতে পারে।সেহরি: সারাদিনের নিয়ন্ত্রকসেহরি বাদ দিলে ইফতারে অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। প্রোটিন ও আঁশসমৃদ্ধ সেহরি সারাদিন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে।ওটস, ডিম, দই, ফল, বাদাম ও সবজি দিয়ে হালকা কিন্তু পুষ্টিকর সেহরি হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর। পর্যাপ্ত পানি পান করাও জরুরি, যাতে দিনভর পানিশূন্যতা না হয়।বিশেষজ্ঞের মতবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়-এর আবাসিক চিকিৎসক ডা. আফসানা হক নয়ন বলেন,“রমজানে অসুস্থ হওয়ার প্রধান কারণ অতিরিক্ত তেল, চিনি ও একসঙ্গে অনেক খাবার গ্রহণ। অল্প পরিমাণে, ধীরে এবং সুষমভাবে খেলে রোজা শরীরের জন্য উপকারী হয়ে ওঠে।”সংযমেই সুস্থতারমজান সংযমের শিক্ষা দেয়—খাবারেও তার ব্যতিক্রম নয়। প্লেট ছোট রাখুন, গতি কমান, প্রয়োজনের কথা ভাবুন। এতে ওজন বাড়বে না, বদহজম কমবে এবং রোজার আধ্যাত্মিক সৌন্দর্য আরও গভীর হবে।সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন—রমজান হোক শরীর ও মনের জন্য প্রশান্তির মাস।
বসন্ত এসে গেছে। আজ পহেলা ফাল্গুন, বসন্তের শুরু। আজি বসন্তের আগমণে প্রকৃতি সেজেছে নতুন রূপে। একই সঙ্গে আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বসন্ত আর ভালোবাসার রঙে আজ সেজে ওঠেবে মানুষ।এই দিনটিকে বাঙালিরা উদযাপন করে ভিন্ন ভাবে। সারাদেশে বিশেষ করে প্রতি বছর এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় উৎসবে মেতে ওঠে সবাই। যদিও চিরাচরিত বসন্ত উৎসবের ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে এবছর। আজ এ উৎসব হচ্ছে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ভেতরে উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে সকাল সাড়ে সাতটায়, সীমিত পরিসরে।্এই দিনটি ১৫৮৫ সালে বাংলা সনে ১৪টি উৎসব প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে বসন্ত বরণ উৎসবের উন্মেষ ঘটে মুঘল সম্রাট আকবরের হাত ধরে। পরে ষাটের দশকে ফাল্গুনের প্রথম ছুটির দিনে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করেছিল ছায়ানট। স্বাধীন বাংলায় প্রথম বসন্ত পালিত হয় ১৯৯৪ সালে। জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদের হাত ধরে ১৪০১ বঙ্গাব্দের পহেলা ফাগুনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার বকুলতলায় উদযাপন শুরু হয় এই উৎসবের। এরপর থেকে প্রতিবছর পালিত হয়ে আসছে এই উৎসব।শীতের রিক্ততা মুছে ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে ফাল্গুনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। গণমানুষের কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভাষায় ‘ফুল ফুটুক না ফুটুক/ আজ বসন্ত... গোলাপের সুবাস আজ না ছড়াক/ কুসুমকলি আজ না হোক জীবন, তবু আজ বসন্ত...। কিন্তু ফুল আজ ঠিকই ফুটেছে। গাছে গাছে শিমুল, পলাশের আগমনির রঙ ফুটে উঠেছে। প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে শিমুল-পলাশের রক্তিম আভায় সেজেছে প্রকৃতি, আর সেই আভার সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে মানুষের হৃদয়ের ভালোবাসা। গাছে গাছে জানান দিচ্ছে বসন্ত এসে গেছে। একই সঙ্গে আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ফাল্গুনকে বলা হয় ফুলের মাস। রক্ত লালের আগুন থেকে শুরু করে শিমুলের নরম আভা সব মিলিয়ে বসন্ত অন্যরকম মাত্রা যোগ করে প্রকৃতিতে। প্রকৃতি বিভিন্ন রঙের উৎসবে মেতে ওঠে। আমের মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণ ভেসে বেড়ায় বাতাসে, কোকিলের কুহুতানে ভরে ওঠে চারদিক। এই মাসে বাতাসে মিশে থাকে এক মৃদু উষ্ণতা, যা শীতের মলিনতাকে নিঃশব্দে মুছে দেয়।সত্যিই বসন্ত এসে গেছে। আজ পহেলা ফাল্গুন, বসন্তের শুরু। আজি বসন্তের আগমণে প্রকৃতি সেজেছে নতুন রূপে। একই সঙ্গে আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বসন্ত আর ভালোবাসার রঙে আজ সেজে ওঠেবে মানুষ।এই দিনটিকে বাঙালিরা উদযাপন করে ভিন্ন ভাবে। সারাদেশে বিশেষ করে প্রতি বছর এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় উৎসবে মেতে ওঠে সবাই। যদিও চিরাচরিত বসন্ত উৎসবের ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে এবছর। আজ এ উৎসব হচ্ছে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ভেতরে উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে সকাল সাড়ে সাতটায়, সীমিত পরিসরে।্ এই দিনটি ১৫৮৫ সালে বাংলা সনে ১৪টি উৎসব প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে বসন্ত বরণ উৎসবের উন্মেষ ঘটে মুঘল সম্রাট আকবরের হাত ধরে। পরে ষাটের দশকে ফাল্গুনের প্রথম ছুটির দিনে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করেছিল ছায়ানট। স্বাধীন বাংলায় প্রথম বসন্ত পালিত হয় ১৯৯৪ সালে। জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদের হাত ধরে ১৪০১ বঙ্গাব্দের পহেলা ফাগুনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার বকুলতলায় উদযাপন শুরু হয় এই উৎসবের। এরপর থেকে প্রতিবছর পালিত হয়ে আসছে এই উৎসব।
পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে বাধা এবং ব্যবসায়ী নেতার আস্ফালনের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ মামলা না নেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি একে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আপনি বাংলার নবাব সিরাজুদ্দৌলা হন বা মোঘল সম্রাট আকবর, মেমো বা রশিদ আপনাকে রাখতেই হবে। তাদের কপাল ভালো আমার হাতে পড়েনি।’ফেসবুকে মাহবুব কবির মিলন লেখেন, ভোক্তার কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডলকে তার সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দিয়েছে রাজধানীর চকবাজারের মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি। এই সংবাদ ও ভিডিও সবাই দেখেছেন। সরকারি কাজে বাধা প্রদানের জন্য সভাপতির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানা মামলা গ্রহণ করছে না মর্মে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর থেকে জানতে পারলাম।তিনি লেখেন, ভোক্তা থেকে মামলা দায়ের করার জন্য গতকাল অফিসিয়াল চিঠি দেওয়া হয়েছিল সংশ্লিষ্ট থানায়। ২৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেছে কিন্তু মামলা নেয়নি থানা। ভয়াবহ এক ব্যাপার এবং অপরাধ। আপনি বাংলার নবাব সিরাজুদ্দৌলা হন বা মোঘল সম্রাট আকবর, খাদ্য দ্রব্য ক্রয় বিক্রয়, মজুদ, ব্যবহার সবকিছুর ট্রেসেবিলিটি নির্ধারণে আপনাকে মেমো বা রশিদ রাখতেই হবে। এই রশিদ না রাখা, নিরাপদ খাদ্য আইন এবং ভোক্তা আইন, উভয় আইনেই শাস্তিযোগ্য অপরাধ।সাবেক অতিরিক্ত সচিব লেখেন, এই রশিদ না রাখা এবং ছোলার অযৌক্তিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে ভোক্তা এক ব্যবসায়ীকে মাত্র পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করলে, সেই সভাপতি এতে বাধা প্রদান করেন।‘সভাপতি ভবিষ্যতে মৌলভীবাজারে কোনো অভিযান পরিচালনা না করার জন্য ভোক্তার কর্মকর্তাকে সতর্ক করে দেন। কী দেখছি!! কী শুনছি!! তাদের কপাল ভালো আমার হাতে পড়েনি এরা।’তিনি লেখেন, ভোক্তার ডিজিকে অনুরোধ করব অতি দ্রুত যৌথ বাহিনী নিয়ে মৌলভীবাজারে অভিযান পরিচালনার জন্য। পুলিশ প্রশাসনের নিকট অনুরোধ, ভোক্তার মামলা গ্রহণ করার জন্য। নাহলে জনকল্যাণ মারাত্মকভাবে ব্যহত হবে। যদি ডিজির মেরুদণ্ড বলে কিছু থেকে থাকে। যদিও তার চাকুরি আছে মাত্র কয়েকমাস।