চলতি মার্চ মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে ২২০ কোটি ৪৪ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা।সোমবার (১৬ মার্চ) প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংক–এর হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের প্রথম দুই সপ্তাহে দেশে আসা রেমিট্যান্সের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৭ কোটি ২৪ লাখ ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২৭ কোটি ২৮ লাখ ডলার।অন্যদিকে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে দেশে এসেছে ১৫৫ কোটি ৪৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। একই সময়ে বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে ৪৫ লাখ ডলার। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবাসীরা দেশে ৩০২ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠান। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩৬ হাজার কোটিরও বেশি টাকা।
১ মাস আগে
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাজারে বেশ কয়েকটি নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। ডিম, মুরগি, ভোজ্যতেল ও মসুর ডালসহ বিভিন্ন পণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে চাপে পড়েছেন ক্রেতারা।বৃহস্পতিবার সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) প্রকাশিত দৈনিক পণ্যমূল্যের তালিকা পর্যালোচনায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি হালি ফার্মের ডিম মানভেদে ৩৬ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগের দিন এই দাম ছিল ৩২ থেকে ৪০ টাকা।এছাড়া বাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২৩০ টাকা, যা এক দিন আগেও ছিল ২২০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে এই মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় এবং এক মাস আগে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।টিসিবি সূত্রে জানা যায়, খুচরা বাজারে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৮৫ থেকে ১৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৭৫ থেকে ১৮৫ টাকা। বোতলজাত দুই লিটারের সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৩৯০ থেকে ৩৯৫ টাকায়। পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিনের দাম ৯৫০ থেকে ৯৫৫ টাকায় উঠেছে।এছাড়া মসলার বাজারেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। প্রতি কেজি জিরা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৬৪০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৬০০ টাকা। লবঙ্গের দাম বেড়ে কেজিতে ১৪০০ টাকায় পৌঁছেছে, যা আগে ছিল প্রায় ১২০০ টাকা।অন্যদিকে, খামার পর্যায়ে ডিমের উৎপাদন খরচ প্রায় সাড়ে ৯ টাকা হলেও প্রান্তিক খামারিরা লোকসান দিয়ে প্রতিটি ডিম প্রায় সাড়ে ৬ টাকায় বিক্রি করছেন। অথচ আড়ত ও মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে সেই ডিম খুচরা বাজারে ভোক্তাদের কিনতে হচ্ছে প্রায় ১১ টাকায়।খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, করপোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রভাব বাড়ার কারণে একদিকে খামারিরা লোকসানের মুখে পড়ছেন, অন্যদিকে ভোক্তাদেরও বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন লোকসান চলতে থাকায় অনেক ছোট খামার বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর এলাকার প্রান্তিক খামারি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উৎপাদন খরচ বেশি হলেও তিনি ডিম বিক্রি করছেন প্রায় সাড়ে ৬ টাকায়। চার মাস ধরে লোকসান হওয়ায় এখন খামার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।একই এলাকার খামারি আব্দুল মালেক জানান, তার খামারে প্রতিদিন প্রায় ৪০ হাজার টাকার বেশি লোকসান হচ্ছে। মাসে এই লোকসান ৪ লাখ টাকারও বেশি। বিদ্যুৎ বিলও নিয়মিত পরিশোধ করতে পারছেন না তিনি।এদিকে পোলট্রি খাতের সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন–এর সভাপতি মোশারফ হোসেন চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রান্তিক খামারিদের পরিশ্রমেই দেশের মানুষ তুলনামূলক কম দামে ডিম ও মুরগি পেয়েছে। কিন্তু বর্তমানে তারা সবচেয়ে বেশি সংকটে রয়েছেন।অর্থনীতিবিদ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, পোলট্রি খাত গ্রামীণ অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মূল্য নির্ধারণ এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমানো না গেলে ছোট খামারিরা দ্রুত ঝরে পড়বে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আগের তুলনায় দেশে পোলট্রি খামারের সংখ্যা কমেছে। তবে এই খাত নিয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সম্প্রতি অনুমোদিত পোলট্রি উন্নয়ন নীতিমালা বাস্তবায়ন হলে খাতটি কিছুটা সুরক্ষা পাবে।
১ মাস আগে
নিলামের মাধ্যমে আরও ১২৩ মিলিয়ন বা ১২ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি বলেন, ৮টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১২ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কাটঅফ মূল্য ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ১৪৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার কেনা হয়েছে। এর আগেও চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কয়েক দফায় নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন পর্যন্ত মোট কেনা হয়েছে ৫৩৮ কোটি ১৫ লাখ বা ৫.৩৮ বিলিয়ন ডলার।
১ মাস আগে
ইসলামে পরিচ্ছন্নতাকে ঈমানের অঙ্গ হিসেবে গণ্য করা হয়। পবিত্র রমজান মাসে ইবাদত-বন্দেগিতে মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্য ও মনোযোগ বাড়াতে সারাদেশব্যাপী বিশেষ মসজিদ পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন ‘পরিচ্ছন্নতায় পবিত্রতা’ চালু করেছে জনপ্রিয় জীবাণুনাশক ফ্লোর ও সারফেস ক্লিনার লাইজল। টানা তৃতীয়বারের মতো আয়োজিত এই উদ্যোগের আওতায় ঢাকাসহ দেশের ৮ বিভাগে শতাধিক মসজিদ পরিষ্কার করা হয়েছে।মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম থেকে। এতে লাইজলের নিজস্ব টিমের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক ও ধর্মীয় নেতারা অংশগ্রহণ করেন। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য—মুসল্লিদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিচ্ছন্ন ইবাদতের পরিবেশ নিশ্চিত করা।রমজান মাসে মসজিদগুলোতে নামাজের পাশাপাশি ইফতার ও সেহরির সময় মুসল্লিদের পদচারণা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। রাজধানীর অনেক মসজিদে কার্পেট থাকলেও রাজধানীর বাইরে এখনও বহু মসজিদে খালি মেঝেতে নামাজ আদায় করা হয়। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিতে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।শুধু রমজান মাসেই নয়, দীর্ঘমেয়াদে মসজিদগুলোর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রতিটি মসজিদকে এক বছরের জন্য ফ্লোর ক্লিনিং সলিউশন প্রদান করছে লাইজল। পাশাপাশি রমজান উপলক্ষে বিশেষ রমজান ক্যালেন্ডার বোর্ড ও হাইজিন কিট বক্সও বিতরণ করা হচ্ছে।এ বিষয়ে রেকিট বাংলাদেশ-এর মার্কেটিং হেড সাবরিন মারুফ তিন্নি বলেন, ‘পবিত্র রমজানে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মসজিদে বেশি সময় ইবাদতে কাটান। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ইবাদতে স্বস্তি ও মনোযোগ বাড়ায়। এই বিষয়টি মাথায় রেখেই আমরা সারাদেশে মসজিদ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছি। ভবিষ্যতেও সমাজে ইতিবাচক প্রভাব রাখতে আমাদের এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।’ঘরের পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি সামাজিক পরিসরেও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ গড়ে তোলাকে নিজেদের দায়িত্ববোধের অংশ হিসেবে দেখছে লাইজল। বাজারে বিদ্যমান পাঁচটি ভ্যারিয়েন্টের মাধ্যমে পরিচালিত ‘পরিচ্ছন্নতায় পবিত্রতা’ উদ্যোগটি ব্র্যান্ডটির সেই সামাজিক অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।
১ মাস আগে