পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে বাধা এবং ব্যবসায়ী নেতার আস্ফালনের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ মামলা না নেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি একে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আপনি বাংলার নবাব সিরাজুদ্দৌলা হন বা মোঘল সম্রাট আকবর, মেমো বা রশিদ আপনাকে রাখতেই হবে। তাদের কপাল ভালো আমার হাতে পড়েনি।’ফেসবুকে মাহবুব কবির মিলন লেখেন, ভোক্তার কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডলকে তার সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দিয়েছে রাজধানীর চকবাজারের মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি। এই সংবাদ ও ভিডিও সবাই দেখেছেন। সরকারি কাজে বাধা প্রদানের জন্য সভাপতির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানা মামলা গ্রহণ করছে না মর্মে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর থেকে জানতে পারলাম।তিনি লেখেন, ভোক্তা থেকে মামলা দায়ের করার জন্য গতকাল অফিসিয়াল চিঠি দেওয়া হয়েছিল সংশ্লিষ্ট থানায়। ২৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেছে কিন্তু মামলা নেয়নি থানা। ভয়াবহ এক ব্যাপার এবং অপরাধ। আপনি বাংলার নবাব সিরাজুদ্দৌলা হন বা মোঘল সম্রাট আকবর, খাদ্য দ্রব্য ক্রয় বিক্রয়, মজুদ, ব্যবহার সবকিছুর ট্রেসেবিলিটি নির্ধারণে আপনাকে মেমো বা রশিদ রাখতেই হবে। এই রশিদ না রাখা, নিরাপদ খাদ্য আইন এবং ভোক্তা আইন, উভয় আইনেই শাস্তিযোগ্য অপরাধ।সাবেক অতিরিক্ত সচিব লেখেন, এই রশিদ না রাখা এবং ছোলার অযৌক্তিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে ভোক্তা এক ব্যবসায়ীকে মাত্র পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করলে, সেই সভাপতি এতে বাধা প্রদান করেন।‘সভাপতি ভবিষ্যতে মৌলভীবাজারে কোনো অভিযান পরিচালনা না করার জন্য ভোক্তার কর্মকর্তাকে সতর্ক করে দেন। কী দেখছি!! কী শুনছি!! তাদের কপাল ভালো আমার হাতে পড়েনি এরা।’তিনি লেখেন, ভোক্তার ডিজিকে অনুরোধ করব অতি দ্রুত যৌথ বাহিনী নিয়ে মৌলভীবাজারে অভিযান পরিচালনার জন্য। পুলিশ প্রশাসনের নিকট অনুরোধ, ভোক্তার মামলা গ্রহণ করার জন্য। নাহলে জনকল্যাণ মারাত্মকভাবে ব্যহত হবে। যদি ডিজির মেরুদণ্ড বলে কিছু থেকে থাকে। যদিও তার চাকুরি আছে মাত্র কয়েকমাস।
১ মাস আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন তার কন্যা জাইমা রহমান। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাইমা রহমানের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়।জাইমা রহমান তার পোস্টে দুটি ছবি যুক্ত করেছেন। আর পোস্টের বর্ণনায় লিখেছেন, ছোটবেলায় আমাদের সবার মনেই বিশ্বাস জন্মে যে, আমাদের বাবারা সবকিছুতেই পারদর্শী। অনেক সময় তারাই হয়ে ওঠেন আমাদের জীবনের প্রথম ও সবচেয়ে বড় আদর্শ।তিনি লিখেছেন, আমার আব্বু হলেন আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান মানুষ। আমার জীবনে তিনিই হলেন সেই একজন ব্যক্তি—যার ওপর আমি নিশ্চিন্তে যেকোনো পরিস্থিতিতে ভরসা করতে পারি।জাইমা রহমান আরো লিখেছেন, বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের প্রতি তার গভীর ভালোবাসা ও দেশপ্রেমই তাকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে।প্রধানমন্ত্রী কন্যা লিখেন, আমি খুবই আনন্দিত যে, সমগ্র বাংলাদেশ অবশেষে তার এই অনন্য গুণাবলিগুলো প্রত্যক্ষ করবে। তার মধ্যে থাকা অসাধারণ গুণাবলিগুলোই তাকে এই দেশ ও জনগণের একজন সত্যিকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে ইনশাআল্লাহ।
১ মাস আগে
রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির জন্য দায়ী মজুতদার ও সিন্ডিকেটদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা–৬ আসনের বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।রমজান মাসে খাদ্যদ্রব্য, ভোজ্যতেল ও অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক সিন্ডিকেটগুলোর মধ্যে বসুন্ধরা, ফ্রেশ, সিটি, টিকে, নাবিল ও এসিআই–এর নাম উল্লেখ করে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ইশরাক হোসেন লিখেছেন, এসব সিন্ডিকেট, মজুতদার ও পাইকারদের বিরুদ্ধে তার নির্বাচিত সংসদীয় এলাকা থেকেই অভিযান শুরু হবে এবং প্রয়োজনে তা আরও বিস্তৃত করা হবে।তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “কোনো বড় নেতা, মন্ত্রী কিংবা সরকারি কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে ক্ষমতা দেখানোর সুযোগ আর দেওয়া হবে না।”ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, সকল প্রকার ‘মাফিয়া’ চক্রের বিরুদ্ধে তিনি কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করছেন। সাধারণ নিম্নআয়ের মানুষ যদি ঠিকমতো খাবার জোগাড় করতে না পারে, তাহলে এই সিন্ডিকেট সংশ্লিষ্টদের বাড়িতেও রান্না হতে দেওয়া হবে না—এমন কঠোর ভাষায় নিজের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।পোস্টের শেষাংশে ইশরাক হোসেন ইনশাআল্লাহ বলে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন, জনগণের স্বার্থ রক্ষায় তিনি আপসহীন থাকবেন।
২ মাস আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ন্যায়, ইনসাফ এবং সুশাসনের প্রত্যাশা করেছেন বিজয়ীদের কাছে জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ প্রত্যাশার কথা বলেন তিনি।পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারী লেখেন, নির্বাচনে বিজয়ী এবং বিজিত— উভয় পক্ষকে অভিনন্দন। দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। আমাদের শক্তি বিভাজনে নয়, ঐক্যে।তিনি লেখেন, যাদের কাঁধে ইতিমধ্যেই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব এসেছে, তারা ইসলামিক মূল্যবোধকে ধারণ করে— ন্যায়, ইনসাফ এবং সুশাসনের বাংলাদেশ উপহার দেবেন, সেই প্রত্যাশা রাখি।তার দেওয়া পোস্টের কমেন্টে আজহারী লেখেন, বিজয় আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে। বিজয়ী দলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আর যারা বিজয়ী হতে পারেননি, তাদের প্রতিও শুভকামনা।মিজানুর রহমান আজহারী লেখেন, ব্যতিক্রমী ও তাৎপর্যপূর্ণ এ নির্বাচনে দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা।তিনি আরও লেখেন, মনে রাখতে হবে— নেতৃত্ব স্রেফ কোনো সম্মান নয়; এটি একটি আমানত। বিজয় এবং সাফল্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষা। সাহাবায়ে কিরাম (রা.) দায়িত্ব থেকে পালিয়ে থাকতেন জবাবদিহিতার ভয়ে। কিয়ামতের ময়দানে প্রতিটি দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। তাই, বিজয় যেন কারো অন্তরে দাম্ভিকতা না আনে; বরং বিনয়, মানবিক মূল্যবোধ ও ন্যায়বোধ জাগ্রত করে। দেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার বিকল্প নেই। রাষ্ট্র এগোয় ঐক্যে, পিছিয়ে পড়ে বিভাজনে।
২ মাস আগে