24 C
Dhaka
বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
আরও

    উত্তরার অগ্নিকাণ্ড: পরিবারের তিনজনের মরদেহ একই কবরস্থানে দাফন

    এই বিভাগের আরও খবর

    রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ: ১৪২৮তম দিনের প্রধান ঘটনাসমূহ

    যুদ্ধ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিইউক্রেনের খেরসন অঞ্চলের দিনিপ্রোভস্কি জেলায় রুশ...

    নতুন রাজনৈতিক দল ‘এনপিএ’ নিয়ে শাহেদ আলীর বিস্ফোরক মন্তব্য

     ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন’ (এনপিএ) নামে একটি নতুন রাজনৈতিক...

    অনির্বাণের পাশে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন দেব

    রাজনৈতিক স্যাটায়ারধর্মী গান গেয়ে সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রে টলিউড অভিনেতা...

    টেকনাফ থেকে সেন্ট মার্টিন, বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিচ্ছেন ২ নারীসহ ৩৫ সাঁতারু

    কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পর্যন্ত...

    অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মাহমুদুর রহমান মান্না

    নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বুকে ব্যথা নিয়ে...

    রাজধানীর উত্তরা আবাসিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ছয়জনের মধ্যে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার একই পরিবারের তিনজনকে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

    মৃতদেহগুলো ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের দড়িপাঁচাশি গ্রামে জানাজা শেষে কবরস্থ করা হয়। জানাজায় এলাকাবাসীসহ আশপাশের গ্রাম থেকে হাজারো মানুষ অংশ নেন। শোকাবহ পরিবেশে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতদের পরিবার ও স্বজনরা।

    নিহতরা হলেন— মো. হারিছ উদ্দিন (৫২), তার ছেলে হিসান উদ্দিন রাহাব (১৭) ও ভাতিজি রোদেলা (১৪)। রোদেলা হারিছ উদ্দিনের ছোট ভাই শহীদুল ইসলামের মেয়ে।

    হারিছ উদ্দিনের চাচা নজরুল ইসলাম বলেন, একসঙ্গে তিনজনের মৃত্যু কল্পনাও করতে পারিনি। পরিবারটির অনেক ক্ষতি হয়েছে। দোয়া করি, মহান আল্লাহ তাদের জান্নাতবাসী করুন।

    ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আযম বলেন, মরদেহগুলো বাড়িতে পৌঁছালে অসংখ্য মানুষ ভিড় করেন। এক পরিবারের তিনজন নিহত হওয়ায় পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে।

    জানা যায়, হারিছ উদ্দিন ও শহীদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর উত্তরায় ফলের ব্যবসা করতেন। পরিবারগুলো ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে তাদের আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    এই অগ্নিকাণ্ডে মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে হারিছ উদ্দিন, তার ছেলে হিসান উদ্দিন রাহাব ও ভাতিজি রোদেলা রয়েছেন। এছাড়া হারিছ উদ্দিনের ভাই শহীদুল ইসলাম, তার স্ত্রী শিউলী আক্তার ও চার বছর বয়সী ছেলে উমর উদ্দিন গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    সাম্প্রতিক খবর